আবরার হত্যা মামলায় ছাত্রলীগের আরও তিন কর্মীকে গ্রেপ্তার

দৈনিক আজকালের দর্পন : বহুল আলোচিত বুয়েটের মেধাবী শিক্ষার্থী আবরার হত্যা মামলায় মঙ্গলবার নতুন করে ছাত্রলীগের তিন কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গ্রেপ্তারকৃত তিনজন হলেন, শামসুল আরেফিন রাফাত, মো. মনিরুজ্জামান মনির ও মো. আকাশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মাসুদুর রহমান।

মাসুদুর রহমান জানান, আজ বিকেলে রাজধানীর ঝিগাতলা থেকে রাফাতকে, ডেমরা থেকে মনিরকে ও সন্ধ্যায় ৬টায় গাজীপুরের বাইপাল থেকে আকাশকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ নিয়ে আবরার হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তারের সংখ্যা ১৩ জনে দাঁড়াল। রাফাত বুয়েটের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ১৭ম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মনির বুয়েটের পানিসম্পদ বিভাগের ১৬তম ব্যাচের এবং আকাশ একই ব্যাচের সিই বিভাগের ছাত্র।

সোমবার ভোরে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরারকে (২১) বিশ্ববিদ্যালয়ের শের-ই-বাংলা হলের সিঁড়িতে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাথে সম্পৃক্ততা সন্দেহে রবিবার রাতে হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতা তাকে মারধর করে।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের বুয়েট শাখার গ্রেপ্তার হওয়া ১০ নেতা-কর্মীসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে সোমবার সন্ধ্যায় মামলা করেন ভিকটিমের বাবা বরকত উল্লাহ। ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে হত্যার ঘটনায় পুলিশ ছাত্রলীগের ১০ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল, সহ-সভাপতি মুহতাসিম ফুয়াদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রবিন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অনিক সরকার, ক্রীড়া সম্পাদক মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, সাহিত্য সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির, উপ-সমাজকল্যাণ সম্পাদক ইফতি মোশাররফ সকাল, উপ-দপ্তর সম্পাদক মুজতবা রাফিদ এবং দুই সদস্য মুনতাসির আল জেমি ও এহতেসামুল রাব্বি তানিম।হত্যার ঘটনায় মঙ্গলবার তাদের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। এর আগে সোমবার আবরার ফাহাদ হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে ছাত্রলীগ তাদের বুয়েট শাখার ১১ নেতা-কর্মীকে বহিষ্কার করে। মামলাটি তদন্তের জন্য ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়েছে।

শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।