ইউএনওর ওপর হামলা : মালি রবিউল দায় স্বীকার, ছয়দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

দৈনিক আজকালের দর্পণ ডেস্ক :  সরকারী বাসভবনে প্রবেশ করে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী শেখের উপর হামলার ঘটনায় রবিউল ইসলাম (৪৩) নামে ১সাবেক সরকারী কর্মচারীকে আটক করেছে পুলিশ। আটক রবিউল পুলিশের নিকট প্রাথমিকভাবে ঘটনার দায় স্বীকার করেছে। এছাড়াও ইউএনওর বাসভবনের নৈশ্যপ্রহরী নাদিম হোসেন পলাশকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

বরখাস্তকৃত কর্মচারী রবিউলকে ছয় দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত। মামলার অপর দুই আসামি যুবলীগের আসাদুল ও নৈশপ্রহরী নাজিমউদ্দিন পলাশকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (১২সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টায় দিনাজপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান বাংলাদেশ পুলিশ রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য।
১১ সেপ্টেম্বর তাকে আটক করা হয়।  আটক রবিউল ইসলাম জেলার বিরল উপজেলার বিজোড়া ইউনিয়নের বিজোড়া গ্রামের খতিব উদ্দীনের ছেলে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য জানান, গত ২ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ওয়াহিদা খানম ও তার বাবার উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার পর থেকে পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় রবিউল ইসলাম নামে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া সরকারী কর্মচারীকে আমরা আটক করেছি। আটক রবিউল প্রাথমিকভাবে পুলিশের কাছে নিজের দায় স্বীকার করেছে। তার তথ্যের ভিত্তিতে আমরা বেশ কিছু আলামত উদ্ধার করেছি। এছাড়া তার বক্তব্য ও জব্দ করা সিসিটিভ ফুটেজের সাথে মিল পাওয়া গেছে। আমরা অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিজ্ঞ আদালতে তার রিমান্ড আবেদন করব।
প্রেস ব্রিফিং শেষে আটক রবিউল ও এই মামলার প্রধান আসামী আসাদুলকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। এ্ই মামলার প্রধান আসামী আসাদুল ইসলাম ৭দিন ধরে রিমান্ডে ছিলেন। আজ পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
এছাড়াও ইউএনওর বাসভবনের নৈশ্যপ্রহরী নাদিম হোসেন পলাশকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
শর্টলিংকঃ