চট্টগ্রামে গ্রাহকের শত কোটি টাকা নিয়ে উধাও “ডিজিটাল কিং মাল্টিপারপাস

 

দৈনিক আজকালের দর্পন নিজস্ব প্রতিনিধী চট্টগ্রাম ব্যুরো ঃ– চট্টগ্রামের বন্দর থানাধীন ইপিজেড সংলগ্ন ঝনক প্লাজার চতুর্থ ও পঞ্চম তলায় অবস্তিত কেডিআরএল গ্রুপের একটি অর্র্থলগ্নি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল কিং মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা সুবিধা বঞ্চিত অসহায় গার্মেন্টস কর্মীদের ডিপিএস,প্যাকেজ ও এফডিআর বাবদ অত্র প্রতিষ্ঠানে জমাকৃত অতি কষ্টের কোটি কোটি টাকা নিয়ে ছিনিমিনি খেলছেন উক্ত প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানার বাংলাবাজার বসন্তবাগ গ্রামের মৃত-আব্দুল মোতালেব’র ছেলে ওবায়দুল্লাহ্ রুবেল সহ-তার প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কিছু অসাধু,ভন্ড,প্রতারক,পরধনলোভী কর্মচারী কর্মকর্তাবৃন্দ।চিত্রে থাকতে পারে: পাঠ্য
সরেজমিনে যানা যায়- চট্টগ্রাম ইপিজেডে কাজের সন্ধানে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে পেটের দায়ে ছুটে আসা সুবিধা বঞ্চিত অসহায় গরিব দুঃখি লাখো মানুষকে পুজি করে নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানার বাংলাবাজার বসন্তবাগ গ্রামের মৃত-আব্দুল মোতালেব’র ছেলে শীর্ষ প্রতারক নারী লোভী ওবায়দুল্লাহ্ রুবেল সহ তার প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কিছু অসাধু,ভন্ড,প্রতারক,পরধনলোভী কর্মচারী,চট্টগ্রাম মীরসরাইয় থানার এ কে আজাদ,বরগুনা পাথরঘাটা কাকচিরার সেলিম জমাদ্দার,বরগুনা তালতলী নিষানবাড়ীয়া গ্রামের মোঃ মিজান, বাগেরহাট মংলা থানার মোঃ আলী হোসেন,বাগেরহাট মোড়েলগঞ্জ থানার মোঃ রাজু প্রকাশ পাংখু রাজু,লক্ষীপুর সদর থানার মাহাবুব আলম বাচ্চু,বাগেরহাট মংলার তরিকুল ইসলাম,মোঃ রফিক ডিজিটাল কিং মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেড এর নামে হাতিয়ে নিচ্ছে গার্মেন্টস’এ খেটে খাওয়া অসহায় মানুষের উক্ত প্রতিষ্ঠানে জমানো কোটি কোটি টাকা। তথ্যে আরো যানা যায় এ সব নামের অসাধু ব্যক্তিদের আসল চরিত্র। চট্টগ্রামে গ্রাহকের শত কোটি টাকা নিয়ে উধাও “ডিজিটাল কিং মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি”এর আগে দেশের বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার মানুষের কাছ থেকে সঞ্চয় করার নামেও নাকি এ সব ব্যক্তিরা তাদের নিজ নিজ তহবিলে রেখেছে লক্ষ লক্ষ টাকা,গড়েছে অবৈধ সম্পদের এক বিশাল পাহাড়। খবরে আরো যানা যায় এ সব ব্যক্তির নামে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক অর্থ ও নারী কেলেঙ্কারী মামলা ও অভিযোগের রহস্য। এ সব অপকর্মের সংবাদ দেশের বিভিন্ন পত্র পত্রিকা এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত হলেও তার কোন পতিকার আমরা কেন পাচ্ছিনা বলছে উক্ত প্রতিষ্ঠানের ভূক্তভুগী অসহায় গ্রাহকরা। চাকরীর কথা বলে ভুলিয়ে ভালিয়ে মোটা বেতনে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে মাসিক এক হাজার থেকে দশ হাজার টাকা হারে তার নিজ নামে একটি একাউন্ট খুলতে বলে। শর্ত থাকে যে তার নিজ নামে অত্র কোম্পানীতে ডিপিএস বাবদ কোন টাকা না রাখলে চাকরী হবে না। পরে তার সামর্থ্য অনুযায়ী নিজে একটি একাউন্ট করে। কোম্পানীর শর্ত অনুযায়ী মাসিক পনের হাজার টাকার লক্ষ পূরণ করতে না পারলে মাস শেষে বেতন না দিয়ে ধামকি ধুমকি দিয়ে বের করে দেওয়া হয় বলে ভূক্তভুগী সুত্রে যানা যায়। সুত্রে আরো যানা যায় অত্র কোম্পানীতে পেটের দায়ে আসা অসহায় সুন্দরী মেয়েদের সাথে অসৎ আচরনের তথ্য।চট্টগ্রামে গ্রাহকের শত কোটি টাকা নিয়ে উধাও “ডিজিটাল কিং মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি” প্রতিনিয়ত দেখা মেলে উক্ত কোম্পানীর অফিসে অসহায় ভূক্তভুগী গ্রাহকদের সঞ্চয়কৃত টাকা ফেরত না পাওয়ার আর্তনাধ। গোপন সুত্রে আরো যানা যায় হাজার হাজার গ্রাহকের কোটি কোটি টাকা আত্বসাৎ করে অত্র কোম্পানীর চেয়ারম্যান এক সময়ের ট্রাকের হেলপারি করা অল্প শিক্ষিত,ভন্ড,প্রতারক,নারীলোভী ও পরধনলোভী ওবায়দুল্লাহ্ রুবেল বর্তমান ১৩ মেইন রোড মোহাম্মাদীয়া হাউজিং মোহম্মাদপুর ঢাকাতে আলো ফাউন্ডেশন নামের একটি প্রতিষ্ঠান করেছে বলেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তার কোম্পানীর একজন কর্মকর্তা। এ বিষয়ে উক্ত কোম্পানীর চেয়ারম্যান ওবায়দুল্লাহ্ রুবেলের সাথে মুঠো ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে চাইলে সংযোগ পাওয়া যায়নি। পরে এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের বিভাগীয় সমবায় দপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগের থানা সমবায় কার্য্যালয়ের সহকারী পরিদর্শক মোঃ জয়নুল আবেদীন সাহেবের নিকট মুঠো ফোনের মধ্যমে জানতে চাইলে তিনিদৈনিক আজকালের দর্পনকে বলেন আমার এ বিষয়ে ভাল যানা নাই। তবে যেহেতু আপনি বললেন আমি বিষটি খুব ভালো করে দেখে প্রয়োজনিয় ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।