মীরসরাইয়ের উন্নয়নের স্বার্থে মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের সুযোগ্য পুত্র রুহুলকে এমপি বানিয়ে সংসদে পাঠাতে চাই : সুলতান গিয়াস উদ্দীন জসিম

দৈনিক আজকালের দর্পণ ডেস্ক :

সমাজে এমনও কিছু সাদা মনের মানুষ এখনো আছেন যাঁরা প্রকৃতই মানুষের কণ্যাণে আর মানবিকতার কথা সর্বদাই মনে প্রাণে ভাবেন। মানুষের পাশে থাকা স্বভাবপজাত অভ্যাস। ঠিক তেমনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালন করে নিজের পকেটের টাকা ব্যয় করে মানুষের পাশে থাকা করেরহাটের আওয়ামী পরিবারের অন্যতম ব্যক্তিত্ব জনদরদী, সমাজ সেবক, বিশিষ্ট্য শিক্ষানুরী ও মানবতার দূত সুলতান গিয়াস উদ্দীন জসিম । এরশাদ বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে বিএনপির কর্তৃক শত ঘাত প্রতিঘাত পেরিয়ে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে আওয়ামী পরিবার ও নৌকার হয়ে লড়ে যাচ্ছেন অবিরত। বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ও তিনি কাউন্সিলের নিকটতম প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধি। প্রবীণ বয়সের এই সময়ে আওয়ামী রাজনৈতিক ত্যাগী ব্যক্তিদের তালিকায় করেরহাটের সর্বাধিক সিনিয়র এই মানুষটির একটি স্বপ্ন মাহবুবুর রহমান রুহেলকে করেরহাট থেকে প্রতিদ্বন্ধি হিসেবে ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন ও গণতন্ত্রের আপোষহীন মানবকন্যা জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে আদর্শিত জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দেওয়া।

এই বিষয়ে করেরহাট ১নং ইউনিয়নের জনদরদী সমাজ সেবক জনদরদী, সমাজ সেবক, বিশিষ্ট্য শিক্ষানুরী ও মানবতার দূত সুলতান গিয়াস উদ্দীন জসিম দৈনিক আজকালের দর্পণকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে বলেন, ১৯৭১ এর স্বাধীনতার ক্লান্তিলগ্নে থেকে শুরু করে বীর মুক্তিযোদ্ধাখ্যাত ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন যুদ্ধকালীন সময় তৎকালীন পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর সাথে দেশ রক্ষা মরিয়া হয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে ৯নং সেক্টর ব্যাপক অবদান রেখেছিলেন।

শুধু তাই নয়; বিগত সরকার আমলে স্বাধীনতার পরবর্তী সময় নৌকার মিছিলে অংশ নিতে গিয়ে দেশ ও মানুষের কল্যাণে যখন কাজ করে যাচ্ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন ঠিক তখনি চট্টগ্রামের পটিয়ায় সন্ত্রাসী বাহিনীর হাতে হত্যার মুখে পড়ে মারাত্নক আহত অবস্থায় সেদিন উপরওয়ালার অশেষ রহমতে চট্টগ্রাম মীরসরাই-১ এর কৃত্বিসন্তান ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন প্রাণে বেঁচে এসেছিলেন সবার মাঝে। সেই স্বৈরাচারীর এরশাদ সরকার থেকে শুরু করে বিএনপি জামাতের দোসর যুদ্ধপরাধে ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামী সালাউদ্দীন কাদের চৌধুরীর সকল ষড়যন্ত্র পরিকল্পনাকে বেদ করে গণতন্ত্রের মানসকন্যা মুজিব আদর্শে লালিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর একমাত্র কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার ভালোবাসায় দেশের মানুষের পাশে আজো তিনি দিনরাত পরিশ্রম করে মানবতার সেবায় নিজেকে বিলিন করে নিয়োজিত রয়েছেন। সেই আদর্শবান ব্যক্তির সুযোগ্য পুত্র সন্তান মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান চৌধুরী রুহেলকে পিতার মতো মীরসাইয়ে তাকে মীরসরাই-১ আসন থেকে এমপি বানিয়ে সংসদে চাই।

এই বিষয়ে জনদরদী, সমাজ সেবক, বিশিষ্ট্য শিক্ষানুরী ও মানবতার দূত সুলতান গিয়াস উদ্দীন জসিম দৈনিক আজকালের দর্পণকে বলেন, আমাদের মীরসরাই বাসীর নতুন জাগায় এক স্বপ্ন এখন প্রিয়নেতা সাবেক বেসামরিক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এর সুযোগ উত্তরসূরী সন্তান মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান চৌধুরী রুহেলকে এমপি নির্বাচিত করে গণতন্ত্রের আপোষহীন মানবকন্যা জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে আদর্শিত জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দিতে চাই। আর এতে শুধু মীরসরাইবাসী উপকৃত হবেন না, বরং দেশের সকল জাতি উন্নয়নের চোঁয়ায় আলোকিত মুখ দেখবে। সর্বোপরি, মীরসরাইয়ের জন্য একটি ডিজিটাল বাংলাদেশ যা সিঙ্গাপুররূপে উপহার দিবেন প্রিয়নেতা সাবেক বেসামরিক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এর সুযোগ উত্তরসূরী সন্তান মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান চৌধুরী রুহেল। অন্যদিকে, জনদরদী, সমাজ সেবক, বিশিষ্ট্য শিক্ষানুরী ও মানবতার দূত সুলতান গিয়াস উদ্দীন জসিম আত্নমানবতার সেবায় নিয়োজিত থেকে দীর্ঘদিন যাবৎ নিজের অর্থায়নে এলাকার বেশ কিছুর উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।

এ বিষয়ে দৈনিক আজকালের দর্পণকে জনদরদী, সমাজ সেবক, বিশিষ্ট্য শিক্ষানুরী ও মানবতার দূত সুলতান গিয়াস উদ্দীন জসিম বলেন, নিজের অর্থায়নে জনচলাচলে ভোগান্তি লাঘব করতে বায়তুল মামুর জামে মসজিদ সড়ক, অলি নগর মরাইগ্গাটিলা সড়কে কালভার্ট নির্মাণ, ঘোড়ামারা গুচ্ছাগ্রাম সড়কে কালভার্ট, অলিনগর সংযোগ সড়কসহ ৯টি কালভার্ট নির্মাণ করেছি নিজের অর্থায়নে নিঃস্বার্থে। পশ্চিম জোয়ার রশিদিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় ও গেইট, করেরহাট কেন্দ্রিয় কালী মন্দির গেইট নির্মাণসহ অনেক প্রতিষ্ঠানের সামাজিক উন্নয়নে সহযোগিতা করেছি। আগামীতেও যতদিন বেঁচে থাকব মহান নেতা, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে লালন পালন করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনাকে সম্মান করে দেশ করে ও এলাকার উন্নয়নে কাজ করে যাব।

সর্বোপরি বলা যায়, নিঃস্বার্থভাবে মানবিক গুনে এমন মানুষ মীরসরাই উপজেলায় এখনো আছে বলে মন্তব্য করা যায় না। তার স্থলে জনদরদী, সমাজ সেবক, বিশিষ্ট্য শিক্ষানুরী ও মানবতার দূত সুলতান গিয়াস উদ্দীন জসিম যেন আদর্শের নাম। উন্নয়নের আরেক রূপকার সুলতান গিয়াস উদ্দীন জসিম। তিনি ১৯৬১ ইং সালের ১৮ আগষ্ট তিনি মীরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ থানাধীন পশ্চিম জোয়ার গ্রামে মুসলিম সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পৈত্রিক সূত্রে পিতা মোঃ তোফাজ্জল হোসেন একজন সমাজ সেবক ও সামাজিক মনের মানুষ ছিলেন। লিজা, রাবেয়া ও জারিন নামক তিন কন্যা সন্তানের পিতা তিনি। ওনার কন্যা সকলেই বিবাহিতা। উপরওয়ালার অশেষ রহমতে পুত্র সন্তান না পেলেও তিনি তার তিন কন্যা সন্তানকে পেয়ে আল্লাহর দরবারে দু হাত তুলে শোকরিয়া জ্ঞাপন করেছেন। জনদরদী, সমাজ সেবক, বিশিষ্ট্য শিক্ষানুরী ও মানবতার দূত সুলতান গিয়াস উদ্দীন জসিম করেরহাট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৭৭ সালে এসএসপি পাশ করেন। সেই থেকে তিনি ছাত্র রাজনীতিতে সম্পৃক্ত।

পরবর্তী সময়ে জনদরদী, সমাজ সেবক, বিশিষ্ট্য শিক্ষানুরী ও মানবতার দূত সুলতান গিয়াস উদ্দীন জসিম তিনি জড়িয়ে পড়েন। একদিকে রাজনীতি, অন্যদিকে তার ঠিকাদারী ব্যবসা আরম্ভ করেন। পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নিবেদিত প্রাণ হিসেবে ১৯৯৬ সাল থেকে করেরহাট ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসেবে ৪ সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত এ জনদরদী, সমাজ সেবক, বিশিষ্ট্য শিক্ষানুরী ও মানবতার দূত সুলতান গিয়াস উদ্দীন জসিম। উল্লেখ্য যে, করেরহাটের রাজনীতিতে শুরু থেকে অদ্যবধি পর্যায়ক্রমে যোগ্য প্রার্থীদের মাঝে জনদরদী, সমাজ সেবক, বিশিষ্ট্য শিক্ষানুরী ও মানবতার দূত সুলতান গিয়াস উদ্দীন জসিম জনপ্রিয়তায় রয়েছেন অনেকাংশে এগিয়ে।

তিনি আগামী ২০২১ সালের মার্চের ইউপি নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর মনোনয়ন নিয়ে নৌকার প্রতীকে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার জন্য এলাকাবাসীর সার্বিক সহযোগিতা, আন্তরিক ভালোবাসা ও সর্বোপরী দোয়া কামনা করছেন এ জনদরদী, সমাজ সেবক, বিশিষ্ট্য শিক্ষানুরী ও মানবতার দূত সুলতান গিয়াস উদ্দীন জসিম।

শর্টলিংকঃ