চট্টগ্রামের বন্দর এলাকার আনন্দ বাজারে রমারমা জুয়ার ঘরে মাদকের আখড়া

No description available.

দৈনিক আজকালের দর্পণ:

বন্দরনগরী চট্টগ্রাম বন্দর এলাকার ঘনবসতি পূর্ণ জনবহুল জেলে পাড়া সংলগ্ন আনন্দ বাজার রেলবিটে নিরবি”িছন্ন এলাকায় জংলাগগ্ন পুকুর পাড়ে প্রশাসনের চোখে ফাঁকি দিয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে রাস্তায় দারোয়ান বসিয়ে জুয়ার নামে চলছেল মাদক ও নারী নিয়ে আমোদপূর্তির হরহামেশা নোংরামীর চিত্র।

শিকারি যদি ভালো হয়, তাহলে এক ডিলে দুই শিকার করা কোন ব্যাপার না। তার উপর যদি থাকে ক্ষমতাসীনদের নামধারী পাতি-নেতার সাইন বোর্ড। আর এই দুই শিকারির খেলায় রাশেদ আর জুয়েল। জুয়েল মাদকের মাঝি অন্য জন জুয়া খেলার জাল পাতে। মাস শেষে আসে মোটা অংকের টাকা । টাকা কামাতে সাগরে জাল পাতা লাগে না তার দি¦গুন আয় হয় বন্দর থানা আনন্দ বাজার সংলগ্ন রেল বিটের নির্জন জায়গা পুকুরের কোনায়। অনুসন্ধানে জানা যায়, নগরীর বন্দর থানাধীন আনন্দ বাজার টু বেরীবাঁধ রোড রেলবিটের ১০০ গজের ভিতরে নির্জন পুকুর পারের কোনায়। এখানে চলে জুয়েলের মাদক ব্যবসা আর রাশেদের রমরমা জুয়ার আসর। এ যেন এক ডিলে দুই পাখি শিকারের মত। মাঝে মাঝে এক ডিলে তিন পাখিও শিকার করে, মাসের প্রথম দিকে মাদক বিক্রি ও জুয়ার পাশাপাশি সুন্দরী মেয়ে দিয়ে চলে অবৈধ দেহব্যবসা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক এলাকাবাীি জানায়, সকাল ১০ টা থেকে শুরু হয় মাদক বেচা কেনা বসেন জুয়ার পরিপূর্ণ আসর, চলে ভোররাত ৪টা পর্যন্ত, রাত যত গভীর হয় ততই বেড়ে যায় অকপটে যাওয়া নেশা খোর চোর, ছিনতাই, ঝাপটা বাজদের আনা গোনা। আসরে আসেন এলাকার পাতি নেতারাও। এসব অবৈধ ¯’ান থেকে থেকে মোটা অংকের মাশোহারা আদায় করেন প্রশাসনের নামধারী ভাঙ্গিয়ে কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা। এলাকার এক জেলে নাম প্রকাশ না করা শর্তে জানায়, আনন্দ বাজারে যদি মাদক, জুয়া, নারী নিয়ে আনন্দ ফুর্তি যদি নাই চলে তাহলে আনন্দ বাজারের নামটাই আনন্দ বলেই বৃথা যাবে।
এসব অবৈধ ব্যবসা বাণিজ্যের পিছনে রয়েছে নেতা নামধারী এলাকার বেশকিছু অপসংগঠনের নামধারী নেতাকর্মী। এরা কখনো আওয়ামীলীগ, কখনো বিএনপি, আবার কখনো জামাত-শিবির ঝোঁপ বুঝে কুপ মারা এ সমস্ত কর্মীদের অনৈতিক কর্মকান্ডের কারণে আনন্দ বাজারের প্রকৃত আনন্দটাই মাদক ও জুয়ার আসরে নিরানন্দে পরিণত হয়েছে।

এ ব্যপারে ঘটনা সত্যতা যাচাইয়ে রাশেদও তার কর্মচারীকে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয়ে, রাসেদ জানায় ব্যস্ত আছি আমি রাশেদ না আমি নয়ন জুয়েল বাহিরে, কর্মচারি বলেন এত কথা বলার দরকার নাই একটা বিকাশ নাম্বার দেন । এই দুই জুটির কারণে নষ্টের পথে চলেছে এলাকায় বসবাসরত যুব সমাজও স্কুল কলেজ পড়–য়া ছেলে মেয়ে, নষ্ট হ”েছ সমাজ, দূষিত হ”েছ এলাকার পরিবেশ । এ ব্যপারে বন্দর থানার ওসি ও ¯’ানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর কে মুঠো ফোনে জিজ্ঞাসাবাদ করিলে বন্দর থানার ওসি জানান মাদক ও জুয়ার বিষয়টি আমি খোঁজ নিয়ে এখনি আইনগত ব্যব¯’া নি”িছ। অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রæত আইনগত ব্যব¯’া নেওয়া হবে। আমি বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জোর গলায় বলতে পারি এলাকায় কোন মাদক ও জুয়ার আস্তানা কখনোই আমার চোখে পরিলক্ষিত হলে তাৎক্ষনিকভাবে ব্যব¯’া নেওয়া হবে। এ ব্যপারে ৩৭নং ওর্য়াড কাউন্সিলর এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, মাদক কিংবা জুয়াসহ যে কোন অসামাজিক কর্মকান্ড আমি নির্বাচনী ইশতেহারে এলাকাবাসীকে জবান দিয়েছিলাম।

এলাকায় কোন মাদক জুয়া কিংবা অসামাজিক কর্মকান্ড চলতে পারবে না। যদিও এসব অবৈধ অনৈতিক কর্মকান্ড পরিলক্ষিত হয় তাহলে আমি নিজে গিয়েই ঐসব আস্তানা ভেঙ্গে তছনছ দিয়ে অপরাধীদের বিরুদ্ধে দ্রæত আইনগত ব্যব¯’া নিব।

শর্টলিংকঃ