• শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৯:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশ জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা (বিজেএসএস) চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হলেন সম্পাদক জীবন কৃষ্ণ দেবনাথ মীরসরাইয়ের সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের চিরবিদায়! বারইয়ারহাট প্রেস ক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত, সভাপতি জীবন কৃষ্ণ দেবনাথ ও সাধারণ সম্পাদক বাবুল মিয়া আনোয়ারায় অটোরিকশা চালককে হত্যা করে ছিনতাই, দুইজন গ্রেপ্তার কর্ণফুলী ও পতেঙ্গায় সাড়ে চার হাজার লিটার জ্বালানি তেল ও ৪ টন কয়লা জব্দ “পুলিশের সুখ-দুঃখ” কলামে উত্থাপিত দাবিগুলোর বাস্তবায়ন ঘোষণায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ চট্টগ্রামে মীরসরাইয়ের বিশিষ্ট্য শিল্পপতি ফখরুল ইসলাম সিআইপি’র কন্যার বিবাহোত্তর অনুষ্ঠান সম্পন্ন চট্টগ্রামের ইপিজেডে প্রকাশ্যে খোলা বাজারে বিক্রি হচ্ছে মৃত দুর্গন্ধযুক্ত পচাঁ মুরগি—প্রশাসনের নজরদারি জরুরী চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় দু’পা হারালো সাংবাদিক আবদুল মান্নান রানা সারা দেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

৭৬৫ রানে থামল বিরাট কোহলির স্বপ্নের বিশ্বকাপ যাত্রা

Reporter Name / ৮৬২ Time View
Update Time : শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৯:২৫ অপরাহ্ন

স্পোর্টস ডেস্ক |

এবারের বিশ্বকাপটা যেন বিরাট কোহলির জন্যই। একের পর এক রেকর্ড ভেঙ্গেছেন আর নতুন করে গড়েছেন। বলা যায় স্বপ্নের বিশ্বকাপ কাটিয়েছেন এই ভারতীয় গ্রেট। রানের ফোয়ারা ছুটিয়ে বিরাট বিশ্বকাপ শেষ করেছেন ৭৬৫ রান করে। যা আগে কখনোই কেউই করতে পারেনি। গতকাল আরো একটি সেঞ্চুরি প্রত্যাশায় বসেছিল নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামের এক লক্ষ ত্রিশ হাজার দর্শক। কিন্তু সে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি কোহলি। ফিরেছেন ফাইনালেও ফিফটি করে। তবে পরিস্থিতি এমন ছিল যে, দল তার কাছে চাইছিল বড় কিছু। সেটিই হলো না কামিন্সের বল স্টাম্পে টেনে আনায়। আউট হয়ে গেলেন তিনি ৬৩ বলে ৫৪ রান করে। ব্যাট হাতে কোহলির বিশ্বকাপ শেষ হলো ৭৬৫ রানে।

এক বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি রানের রেকর্ড ও প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে এক আসরে ৭০০ রান ছোঁয়ার কীর্তি গড়েছেন তিনি আগেই। ফাইনালে ফিফটি করে নিজের রেকর্ড আরও সমৃদ্ধ করলেন তিনি। ১১ ইনিংস খেলে তার গড় ৯৫.৬২ আর স্ট্রাইক রেট ৯০.৩১। এক বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ফিফটি ছোঁয়া ইনিংসের রেকর্ডও তিনি গড়েছিলেন আগেই। ফাইনালের ফিফটিতে সেটিও বাড়িয়ে নিলেন আরও। ১১ ইনিংসের ৯টিতেই তিনি পৌঁছেছেন পঞ্চাশে। এর মধ্যে ৩টিকে রূপ দিয়েছেন শতরানে। সেই ৩ সেঞ্চুরির একটি করেছিলেন সেমি–ফাইনালে। ফিফটি করলেন ফাইনালে। আর কোনো ভারতীয় ব্যাটসম্যান বিশ্বকাপের সেমি–ফাইনাল ও ফাইনালে পঞ্চাশ ছুঁতে পারেননি। ২০০৩ বিশ্বকাপে শচিন টেন্ডুলকারের করা ৬৭৩ রানের রেকর্ড পেছনে ফেললেও তার বাউন্ডারির রেকর্ড ছুঁতে পারেননি কোহলি। ওই আসরে সবচেয়ে বেশি ৭৫টি বাউন্ডারি মেরেছিলেন টেন্ডুলকার। এক বিশ্বকাপে যা রেকর্ড। পরে ২০০৭ আসরে ৬৫৯ রানের পথে ৬৯টি চার মেরেছিলেন ম্যাথু হেইডেন। এবার কোহলি থামলেন ৬৮ বাউন্ডারিতে।

গতকাল ফাইনালে কোহলির শুরুটা হয়েছিল দারুণ কয়েকটি বাউন্ডারি মেরে। মিচেল স্টার্কের ওভারে উড়িয়ে মেরে একটি বাউন্ডারির পর ওই ওভারেই টানা দুটি বাউন্ডারি মারেন দৃষ্টিনন্দন দুটি শটে। পরে আরেকটি চার মারেন গ্লেন ম্যাঙওয়েলের বলে কাট শটে। এরপরই রোহিত শার্মা ও শ্রেয়াস আইয়ার অল্প সময়ের মধ্যে বিদায় নিলে সাবধানী হয়ে যান কোহলি। ঝুঁকির পথ পরিহার করেন। তবে খোলসে ঢুকে যাননি। এক–দুই করে নিয়ে ইনিংস গড়তে থাকেন। ফিফটিতে পা রাখেন ৫৬ বলে। একটু পরই কামিন্সের সেই ডেলিভারি। শর্ট অব লেংথ থেকে বলকে অনেকটা লাফিয়ে তোলেন কামিন্স। মন্থর উইকেটে কিছুটা থমকে আসে বল। কোহলি শরীর থেকে একটু দূরে ব্যাট পেতে দেন। ব্যাটের কানায় লেগে বল আঘাত হানে স্টাম্পে। হতাশায় কয়েক মুহূর্ত ক্রিজেই দাঁড়িয়ে থাকেন কোহলি। শেষটা হয়তো তার প্রত্যাশামতো হলো না। তবে এই বিশ্বকাপে যা করলেন তিনি, রেকর্ড–অর্জন–কীর্তি ভরা তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে দ্যুতিময় প্রাপ্তিগুলোর মধ্যেই থাকবে তা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *