• রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশ জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা (বিজেএসএস) চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হলেন সম্পাদক জীবন কৃষ্ণ দেবনাথ মীরসরাইয়ের সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের চিরবিদায়! বারইয়ারহাট প্রেস ক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত, সভাপতি জীবন কৃষ্ণ দেবনাথ ও সাধারণ সম্পাদক বাবুল মিয়া আনোয়ারায় অটোরিকশা চালককে হত্যা করে ছিনতাই, দুইজন গ্রেপ্তার কর্ণফুলী ও পতেঙ্গায় সাড়ে চার হাজার লিটার জ্বালানি তেল ও ৪ টন কয়লা জব্দ “পুলিশের সুখ-দুঃখ” কলামে উত্থাপিত দাবিগুলোর বাস্তবায়ন ঘোষণায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ চট্টগ্রামে মীরসরাইয়ের বিশিষ্ট্য শিল্পপতি ফখরুল ইসলাম সিআইপি’র কন্যার বিবাহোত্তর অনুষ্ঠান সম্পন্ন চট্টগ্রামের ইপিজেডে প্রকাশ্যে খোলা বাজারে বিক্রি হচ্ছে মৃত দুর্গন্ধযুক্ত পচাঁ মুরগি—প্রশাসনের নজরদারি জরুরী চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় দু’পা হারালো সাংবাদিক আবদুল মান্নান রানা সারা দেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

নীতিনির্ধারণে নমনীয়তা ও নাগরিক দায়িত্বের ওপর প্রধান উপদেষ্টার গুরুত্বারোপ

Reporter Name / ৮৫৮ Time View
Update Time : রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন

|

 

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় সঠিক দিকনির্দেশনা, সময়োপযোগী সমন্বয় এবং শিক্ষার্থীদের নাগরিক দায়িত্ব পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় আয়োজিত জাতীয় নীতি প্রতিযোগিতা, ২০২৫–এ বিজয়ী দশ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এ সময় প্রফেসর ইউনূস এ কথা বলেন। শিক্ষার্থীরা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং প্রতিযোগিতায় অংশগহণলব্ধ অর্জিত অভিজ্ঞতা ও নীতি প্রস্তাবনা তুলে ধরেন।

প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, তোমাদের সবাইকে অভিনন্দন জানাচ্ছি এই বিজয় অর্জনের জন্য। এটা বহুজনের সঙ্গে প্রতিযোগিতার ফলাফল। তিনি বলেন, প্রতিযোগিতার আসরটি আসলে এক ধরনের ক্যাবিনেট, যেখানে বিতর্ক ও আলোচনা হয়। তোমরা কাল্পনিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে তার ওপর বিতর্ক করছো। ভবিষ্যতে এই এক্সারসাইজটাই কাজে লাগবে। কারণ একদিন তোমাদেরই আসল ক্যাবিনেট রুমে বসে নীতি নির্ধারণ করতে হবে–সেটা সরকারি, বাণিজ্যিক কিংবা ব্যক্তিগত পর্যায়েই হোক, বলেন তিনি। খবর বাসসের। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সুন্দর প্রস্তাব, বড় বাজেট বা লোকবল থাকলেও ভুল নীতির কারণে সবকিছু মাঠে মারা যায়। নীতি যদি সঠিক হয়, তাহলে জিনিসটা সুষ্ঠুভাবে ঠিক জায়গায় পৌঁছায়। তিনি বলেন, পলিসি ব্যর্থতার জন্য অনেক কিছু আমাদের শেষ হয়ে যায়। কখনো নীতি একেবারে ব্যর্থ হয়, কখনো দুর্বল হয়–ফলে প্রত্যাশিত ফল আসে না। নীতি শুধু সরকার বা ব্যবসা নয়, ব্যক্তিগত জীবনের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস আরও বলেন, যারা পলিসি নির্ধারণ করে, তাদের পুরো প্রেক্ষাপট বুঝে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। যেমন একজন চিকিৎসক রোগীর অবস্থা জেনে প্রেসক্রাইব করেন, তেমনি নীতি নির্ধারককেও জানতে হয় কোন সিদ্ধান্তের কী প্রতিক্রিয়া হবে। পরিবর্তিত পরিস্থিতি অনুযায়ী নীতি সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি বলেন, দুনিয়া বদলে গেলেও যদি আমরা পুরনো নীতিতে আটকে থাকি, তাহলে তা কোনো কাজে আসবে না। পারিপার্শ্বিকতার পরিবর্তন, উদ্দেশ্যের পরিবর্তনের সঙ্গে নীতিরও পরিবর্তন হতে হবে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, যেদিন প্রকৃত ক্যাবিনেট রুমে বসে সত্যি সত্যি সারা দেশের পলিসি নির্ধারণ হবে, সেদিন এই অনুশীলনের গুরুত্ব বোঝা যাবে। অংশগ্রহণই গুণগত মান অনেক উন্নত করেছে। নাগরিক দায়িত্ব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নাগরিক মানে মালিক। মালিক হিসেবে আমাদের হক আছে জানতে–যে পলিসি হচ্ছে সেটা সঠিক হচ্ছে কিনা। ভুল দিকে গেলে সোচ্চার হয়ে বলতে হবে। নাগরিক যদি চুপ থাকে, তাহলে কিছুই সোজা হবে না।

প্রধান উপদেষ্টা সবাইকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, চিন্তা করো–নীতিটা তোমার ক্ষেত্রে ঠিক হচ্ছে কিনা, দেশের ক্ষেত্রেও ঠিক হচ্ছে কিনা। এটাও তোমার কাজ, নাগরিক হিসেবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *