• রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশ রেলওয়ের অডিট আপত্তিকে ঘিরে মহাপরিচালক মহোদয় কে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা?……….ৃ বাংলাদেশ রেলওয়ের অর্থনীতিতে ভাগ্য পরিবর্তনে ব্যাপক অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন প্রকৌশলী মোহাম্মদ আফজাল হোসেন ……….. বাংলাদেশ রেলওয়ে আধুনিকায়নে ব্যাপক অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন প্রকৌশলী মোহাম্মদ আফজাল….. বাংলাদেশ রেলওয়ে মহা-পরিচালক প্রকৌশলী মো. আফজাল হোসেন বাংলাদেশ জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা (বিজেএসএস) চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হলেন সম্পাদক জীবন কৃষ্ণ দেবনাথ মীরসরাইয়ের সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের চিরবিদায়! বারইয়ারহাট প্রেস ক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত, সভাপতি জীবন কৃষ্ণ দেবনাথ ও সাধারণ সম্পাদক বাবুল মিয়া আনোয়ারায় অটোরিকশা চালককে হত্যা করে ছিনতাই, দুইজন গ্রেপ্তার কর্ণফুলী ও পতেঙ্গায় সাড়ে চার হাজার লিটার জ্বালানি তেল ও ৪ টন কয়লা জব্দ “পুলিশের সুখ-দুঃখ” কলামে উত্থাপিত দাবিগুলোর বাস্তবায়ন ঘোষণায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ চট্টগ্রামে মীরসরাইয়ের বিশিষ্ট্য শিল্পপতি ফখরুল ইসলাম সিআইপি’র কন্যার বিবাহোত্তর অনুষ্ঠান সম্পন্ন

চট্টগ্রামের সেই শরীফ উদ্দিনকে চাকরি ফিরিয়ে দিতে দুদকে নির্দেশ

Reporter Name / ১১৯৫ Time View
Update Time : রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৪৮ অপরাহ্ন

|

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) থেকে বরখাস্ত হওয়া আলোচিত কর্মকর্তা মো. শরীফ উদ্দিনের চাকরি পুনর্বহালের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে তাকে পূর্বের সকল বেতন, ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা ফিরিয়ে দিতে দুদককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৯ জুলাই) বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। রায় ঘোষণার পর আদালতে উপস্থিত ছিলেন শরীফ উদ্দিন নিজে।

শরীফ উদ্দিন ২০১৯ সাল থেকে দুদকের চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে দায়িত্বরত ছিলেন। তিনি চট্টগ্রামসহ কক্সবাজার অঞ্চলে দুর্নীতি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর বিষয়ে অনুসন্ধান করেছিলেন। বিশেষ করে কক্সবাজারে ভূমি অধিগ্রহণে দুর্নীতির তদন্তে সক্রিয় থাকায় তিনি দেশব্যাপী পরিচিত হয়ে ওঠেন।

২০২২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি হঠাৎ করেই কোনো কারণ না দেখিয়ে তাকে চাকরিচ্যুত করে দুদক। সেই সময় তিনি অভিযোগ করেন, দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কারণেই তাকে অপসারণ করা হয়েছে। শরীফ দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না থাকা সত্ত্বেও চাকরিচ্যুত করা হয়, যা সংবিধান পরিপন্থী।

চাকরিচ্যুতির পর তার পক্ষে জনমত তৈরি হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয় দুদকের সিদ্ধান্ত নিয়ে। সাধারণ মানুষসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা তাকে চাকরিতে পুনর্বহালের দাবি জানান।

অবশ্য তার চাকরিচ্যুতির পরপরই একাধিক অনুসন্ধান প্রতিবেদন, সংবাদের লিংক এবং ওয়েবসাইট থেকে তার সম্পর্কে ইতিবাচক প্রতিবেদনগুলো মুছে ফেলারও অভিযোগ উঠে। ফেসবুক ও ইউটিউবের কিছু কনটেন্টও মুছে দেওয়া হয়, যা নিয়ে তখন অনলাইনে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়, শরীফ উদ্দিনের চাকরিচ্যুতির প্রক্রিয়া ছিল আইন বহির্ভূত এবং অবিচারমূলক। আদালত রায়ে বলেন, “একজন সরকারি কর্মচারীকে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নিয়ে এভাবে চাকরি থেকে বাদ দেওয়া সংবিধান ও প্রশাসনিক ন্যায়বিচারের পরিপন্থী।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *